পুরো ব্যবহার নির্দেশিকা
হাতবদল: কুরিয়ারের পার্সেল আর টাকা, এক হিসাবে
এই নির্দেশিকায় আছে মালিক, হাবের লোক, মার্চেন্ট, রাইডার আর প্রাপক — প্রত্যেকে কোন পাতায় কী করবেন, ধাপে ধাপে, আসল স্ক্রিনের ছবিসহ। ছবির সব নাম-নম্বর বানানো।
১. শুরুর কথা
হাতবদল একটা ছোট বা জেলা শহরের কুরিয়ারের পুরো কাজ এক জায়গায় আনে: মার্চেন্টের বুকিং, পিকআপ, হাবে স্ক্যান, রাইডারের ডেলিভারি, সন্ধ্যার টাকা গোনা আর মার্চেন্টকে পেমেন্ট। পুরো সফটওয়্যারটা দুটো নিয়মের উপর দাঁড়িয়ে:
প্রতিটা পার্সেল সবসময় ঠিক একজনের হাতে।হাত বদলালেই স্ক্যান হয় — কে দিল, কে নিল, কখন। ২৪ ঘণ্টা কেউ না ছুঁলে পার্সেল লাল হয়ে ওঠে।
প্রতিটা টাকাও সবসময় একজনের কাছে।প্রাপক → রাইডার → হাবের ক্যাশ → মার্চেন্টের পাওনা → পেমেন্ট। রাইডারের “দিয়েছি” ততক্ষণ “গোনা বাকি”, যতক্ষণ না হাবে টাকা গোনা হয়।
কে কোথায় ঢোকেন
| কে | কোথায় | ঢোকার উপায় |
|---|---|---|
| মালিক | কম্পিউটার বা ফোনের ব্রাউজারে /hub | মোবাইল নম্বর + পাসওয়ার্ড |
| হাবের লোক | হাবের কম্পিউটারে /hub (USB স্ক্যানার থাকলে ভালো) | মোবাইল নম্বর + পাসওয়ার্ড (মালিক দেন) |
| মার্চেন্ট | যেকোনো ব্রাউজারে /m | নিজে অ্যাকাউন্ট খোলেন, মালিক চালু করেন |
| রাইডার | অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ (অথবা ব্রাউজারে /rider) | মোবাইল নম্বর + ৪ সংখ্যার পিন (মালিক দেন) |
| প্রাপক | SMS-এর লিংক | লগইন লাগে না |
২. একটা পার্সেলের পুরো পথ
- মার্চেন্ট বুক করেনচার্জ সাথে সাথে দেখায়, লেবেল প্রিন্ট হয়
- পিকআপ রাইডার নিয়ে আসেনমার্চেন্টের দোকানেই লেবেল স্ক্যান
- হাবে স্ক্যানকোন এলাকার তাকে যাবে বড় করে দেখায়
- রাইডারের ব্যাগে স্ক্যানএখন থেকে দায় সেই রাইডারের
- রাইডার কল করে ডেলিভারি দেনটাকা নিলে “গোনা বাকি”
- সন্ধ্যায় হাবে টাকা গোনাকম পড়লে রাইডারের নামে লেখা হয়
- মালিক মার্চেন্টকে পাঠানবিকাশ/নগদ/ব্যাংকের TrxID সহ
৩. মার্চেন্ট
অনলাইনে বিক্রি করেন যারা — পেজ, ওয়েবসাইট বা দোকান।
৩.১ অ্যাকাউন্ট খোলা
/signupখুলে পেজ বা দোকানের নাম, নিজের নাম, মোবাইল নম্বর, পিকআপের ঠিকানা আর পাসওয়ার্ড দিন।- “অপেক্ষায়” পাতা দেখাবে। হাব দেখে চালু করে দিলে SMS আসবে, তখন থেকে বুক করা যাবে।
- টাকা প্রথমে এই মোবাইল নম্বরের বিকাশে যাবে। বদলাতে চাইলে নিচে ৩.৭ দেখুন।
৩.২ পার্সেল তালিকা

- “চলমান”, “ডেলিভারি হয়েছে”, “ফেরত”, “অভিযোগ” — উপরের ট্যাবে বাছাই করুন।
- যে পার্সেলে আপনার কিছু করার আছে (দেওয়া যায়নি, হাবের উত্তর এসেছে), সেগুলো সবার উপরে থাকে।
- নাম, ফোন, কোড বা আপনার অর্ডার নম্বর দিয়ে খুঁজুন।
৩.৩ একটা পার্সেল বুক করা

- “নতুন পার্সেল” → প্রাপকের ফোন দিন। আগে এই নম্বরে পাঠিয়ে থাকলে নাম-ঠিকানা নিজে বসে যায়।
- ফোনের নিচে দেখাবে এই নম্বরে আমাদের কাছে কয়টা ডেলিভারি আর কয়টা ফেরত হয়েছে। ফেরত বেশি হলে আগে ডেলিভারি চার্জটা নিয়ে নিতে পারেন।
- ঠিকানা, এলাকা, কালেকশনের টাকা (আগে টাকা নিয়ে থাকলে ০), ওজন দিন। অর্ডার নম্বর আর নোট ইচ্ছা হলে।
- “বুক করুন”। কোনো ঘর ভুল থাকলে বোতামের নিচেই লেখা থাকে কী ঠিক করতে হবে।

৩.৪ এক্সেল থেকে একসাথে বুকিং

- “নমুনা ফাইল” নামিয়ে সেই ক্রমে কলাম সাজান: নাম, ফোন, ঠিকানা, এলাকা, কালেকশন, ওজন, অর্ডার নম্বর, নোট।
- এক্সেলে “Save as → CSV UTF-8” করে ফাইলটা দিন, অথবা সারিগুলো কপি করে পেস্ট করুন।
- “ভুলগুলো বাদ দিয়ে ...টি বুক করুন” — একবারে ৫০০টা পর্যন্ত।
৩.৫ লেবেল প্রিন্ট

৩.৬ পিকআপ ডাকা আর পার্সেলের খোঁজ
- পার্সেল তৈরি হলে “পিকআপ ডাকুন” → কয়টা দেবেন আর রাইডারের জন্য কিছু বলার থাকলে লিখুন। দুপুর ১২টার আগে ডাকলে আজই নেওয়া হয়।
- যেকোনো পার্সেলে চাপ দিলে খোলে তার পুরো হিসাব:

- পিকআপের আগে “বাতিল” করা যায়। পিকআপের পর “ফেরত চাই” — রাইডার আর দেবেন না, হাব ফেরত পাঠাবে।
- কোনো ক্রেতা বারবার অর্ডার দিয়ে না নিলে ফেরত পার্সেলে “এই ক্রেতা সম্পর্কে সাবধান করুন”। অন্য মার্চেন্টরা শুধু সংখ্যাটা দেখেন, আপনার লেখা নয়।
৩.৭ টাকা আর পেমেন্ট


- পেমেন্ট নম্বর বদলাতে “নম্বর বদলান” → আপনার ফোনে ৪ সংখ্যার কোড যায় → নতুন নম্বর চালু হয় ২৪ ঘণ্টা পর। আপনি না করে থাকলে এই সময়ের মধ্যে হাবে ফোন করুন।
৩.৮ ফেরত বুঝে নেওয়া

- রাইডার ফেরত নিয়ে এলে পার্সেলগুলো গুনে মিলিয়ে নিন।
- সব ঠিক থাকলে কোডটা রাইডারকে বলুন, অথবা এখানে “সব বুঝে পেয়েছি” চাপুন।
- কিছু কম থাকলে কোড দেবেন না — সেই পার্সেলে চাপ দিয়ে “সমস্যা জানান”। কোড না দেওয়া পর্যন্ত দায় কুরিয়ারের।
৪. হাবের লোক
হাবে পার্সেল নেওয়া, রাইডারকে দেওয়া, সন্ধ্যার টাকা গোনা আর ফেরত সামলানো।
৪.১ আজকের পাতা — দিন শুরু এখান থেকে

৪.২ হাবে নিন (স্ক্যান)

- “হাবে নিন” খুলুন। USB স্ক্যানার লাগানো থাকলে শুধু লেবেলে ধরুন — কিছু চাপতে হবে না।
- স্ক্যানার না থাকলে পাশের ক্যামেরা বোতামে ফোনের ক্যামেরা দিয়ে, অথবা কোড টাইপ করে “যোগ”।
- পিকআপের পার্সেল, রাইডারের ফেরত আনা পার্সেল, মার্চেন্ট নিজে দিয়ে গেলে — সব এখানেই।
- ওজন বুকিংয়ের চেয়ে বেশি মনে হলে “ওজন — ঠিক নেই?” চেপে মাপা ওজন দিন। চার্জ নতুন করে হিসাব হয়, মার্চেন্ট দেখেন।
- ডানে “পিকআপ মেলানো”: মার্চেন্ট কয়টা বলেছিল, রাইডার কয়টা নিয়েছে, হাবে কয়টা এসেছে — কম হলে হলুদ।
৪.৩ রাইডারের ব্যাগ

- রাইডারের কাছে সীমার বেশি টাকা গোনা বাকি থাকলে নতুন ব্যাগ দেওয়া যায় না — আগে টাকা জমা। মালিক চাইলে “তবুও দিন”।
- অন্য এলাকার পার্সেল দিলে হলুদ সতর্কতা আসে, তবুও দেওয়া যায়।
- “রান শিট” প্রিন্ট করে রাইডারকে কাগজেও তালিকা দিতে পারেন।
৪.৪ সন্ধ্যার টাকা জমা — সবচেয়ে জরুরি কাজ

- “টাকা জমা” → রাইডার বেছে নিন।
- নোট গুনে প্রতিটা ঘরে কয়টা নোট বসান (১০০০, ৫০০ ...), অথবা মোট টাকা সরাসরি লিখুন।
- “হাতে ফেরত নিন”: যে পার্সেল দেওয়া যায়নি বা আংশিক/এক্সচেঞ্জের মাল — হাতে পেলে টিক দিন। যেগুলো আনেননি সেগুলো রাইডারের নামেই থাকে, লাল করে।
- কম বা বেশি হলে কারণ লিখুন, তারপর “গোনা শেষ — জমা নিন”।
- রসিদ প্রিন্ট করে রাইডারকে দিয়ে সই নিন।

৪.৫ পিকআপ

৪.৬ ফেরত

- মার্চেন্টের কার্ডে “ব্যাচ বানান ও স্লিপ প্রিন্ট” — মার্চেন্ট SMS-এ ৪ সংখ্যার কোড পান।
- রাইডার ফেরত দিয়ে মার্চেন্টের কাছ থেকে কোড নিয়ে আসেন, এখানে বসিয়ে “বুঝিয়ে দিলাম”।
- ৩ দিনেও বুঝে না নেওয়া ব্যাচ লাল হয়ে “আজ” পাতায় ওঠে।
৪.৭ পার্টনার (বাইরের জেলা)

৪.৮ পার্সেল খোঁজা আর অভিযোগের উত্তর

৫. মালিক
মালিকের পাতায় হাবের সব কাজ তো আছেই, সাথে বাঁ দিকে “মালিক” অংশ।
৫.১ মার্চেন্টকে পেমেন্ট

- যাদের পাঠাবেন টিক দিন → “পেমেন্ট তৈরি করুন”। তৈরি করলে হিসাবগুলো আটকে যায়, দুবার যায় না।
- “বিকাশ/ব্যাংক শিট” নামিয়ে সেই অনুযায়ী টাকা পাঠান।
- প্রতিটা পেমেন্টের পাশে TrxID বসিয়ে “পাঠানো হয়েছে”। TrxID ছাড়া হয় না, একই TrxID দুবার নেয় না। মার্চেন্ট SMS পান।
৫.২ রাইডার


- “নতুন রাইডার”: নাম, মোবাইল, ৪ সংখ্যার পিন, এলাকা, প্রতি ডেলিভারিতে কত টাকা আর হাতে সর্বোচ্চ কত রাখতে পারবেন।
- কেউ চলে গেলে “রাইডার বন্ধ করুন” — সাথে সাথে আর ঢুকতে পারেন না (আগে তার টাকা জমা আর ব্যাগ খালি করতে হয়)।
৫.৩ মার্চেন্ট

৫.৪ রেট ও এলাকা

৫.৫ হাবের লোকজন

৫.৬ খাতা ও SMS

- ডেলিভারি উল্টানো: রাইডার “দিয়েছি” বলেছিলেন অথচ কাস্টমার পাননি — পার্সেলে চাপ দিয়ে “ডেলিভারি উল্টান”। মার্চেন্ট আর রাইডারের হিসাবে সংশোধন যায়।
- হারানো: “হারানো ধরুন” — মার্চেন্টকে ক্ষতিপূরণ যায়, শেষবার রাইডারের হাতে থাকলে তার হিসাবে কাটা হয়।
- ব্যাংকে জমা: “আজ” পাতায় ক্যাশ বাক্সে কত টাকা আছে দেখায়, ব্যাংকে জমা দিলে লিখে রাখুন।
৬. রাইডার অ্যাপ



- মোবাইল নম্বর আর পিন দিয়ে ঢুকুন। একবার ঢুকলে বারবার ঢুকতে হয় না।
- হাবে ব্যাগ স্ক্যান হলেই পার্সেলগুলো “আজ” ট্যাবে চলে আসে।
- “কল” চাপলে ফোনের ডায়ালার খোলে, কলটা লেখা থাকে।
- “আপডেট দিন” → যা হয়েছে বেছে নিন। পুরো টাকা নিলে এক চাপেই হয়। দামি পার্সেলে প্রাপকের SMS-এর ৪ সংখ্যার কোড লাগে।
- কল না করে “দেওয়া যায়নি” চাপা যায় না। কারণ বেছে নিতে হয়, প্রাপক SMS পান।
- নেট না থাকলেও কাজ চলবে — উপরে লেখা থাকে কয়টা পাঠানো বাকি, নেট এলে নিজে চলে যায়, একবারই।
- “পিকআপ” ট্যাবে মার্চেন্টের দোকানে গিয়ে লেবেল স্ক্যান করে নিন, তারপর “সব নিয়েছি”।
- সন্ধ্যায় হাবে টাকা আর ফেরত পার্সেল দিন। গোনা হলে “হাতে” থেকে টাকা নেমে যায়।
৭. প্রাপক

প্রাপক SMS-এ একটা লিংক পান — পিকআপ হলে, রাইডার রওনা দিলে, আর ডেলিভারি বা ফেরত হলে।
- লিংকে লগইন লাগে না। পার্সেল কোন ধাপে, কখন।
- রাইডার রওনা দিলে তার নাম আর ফোন বোতাম দেখায়।
- পুরো ঠিকানা দেখায় না, শুধু এলাকা — কেউ লিংক পেলেও বাসা জানতে পারে না।
- “দেওয়া যায়নি” হলে কারণসহ SMS যায়: ভুল হলে হাবে ফোন করার নম্বর থাকে।
৮. যে নিয়মগুলো টাকা বাঁচায়
| যেখান থেকে টাকা হারায় | হাতবদলে যা হয় |
|---|---|
| রাইডার টাকা নিয়ে “বাতিল” দেখায় | রাইডারের “দিয়েছি” শুধু দাবি — হাবে গোনা হলে তবেই মার্চেন্টের হিসাবে। কম পড়লে সাথে সাথে রাইডারের নামে। |
| কল না করে “ফোন ধরেনি” | অ্যাপ থেকে কল না করলে “দেওয়া যায়নি” বন্ধ। প্রাপক SMS পান। |
| পার্সেল হারায়, কেউ জানে না কার কাছে | প্রতি হাতবদলে স্ক্যান। ২৪ ঘণ্টা কেউ না ছুঁলে লাল। |
| রাইডারের কাছে অনেক টাকা জমে | সীমা পার হলে নতুন ব্যাগ দেওয়া যায় না। |
| “টাকা পাইনি” — মার্চেন্ট | TrxID ছাড়া পেমেন্ট হয় না, প্রতিটা পার্সেলের হিসাবসহ। |
| পেমেন্ট নম্বর কেউ বদলে ফেলে | মার্চেন্টের ফোনে কোড, তারপর ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা। |
| ফেরত এসে মাল কম | মার্চেন্ট কোড না দেওয়া পর্যন্ত দায় কুরিয়ারের। |
| ভারী পার্সেল, হালকা চার্জ | হাবে ওজন মেপে চার্জ ঠিক, মার্চেন্ট দেখেন। |
৯. প্রথম দিনের সেটআপ (মালিক)
- “রেট ও এলাকা”: কুরিয়ারের নাম, হাবের ফোন, রেট, আর আপনার এলাকাগুলো — কোনটা সিটি, কোনটা উপজেলা, কোনটা বাইরের জেলা।
- “হাবের লোকজন”: হাবের প্রত্যেকের নাম, মোবাইল, পাসওয়ার্ড।
- “রাইডার”: প্রত্যেক রাইডারের নাম, মোবাইল, পিন, এলাকা, প্রতি ডেলিভারির টাকা, হাতে সর্বোচ্চ টাকা। রাইডারের ফোনে অ্যাপ বসিয়ে ঢুকিয়ে দিন।
- মার্চেন্টদের
/signupলিংক পাঠান, তারা খুললে “মার্চেন্ট” পাতায় চালু করুন। বড় মার্চেন্টের বিশেষ রেট দিন। - হাবে একটা USB বারকোড স্ক্যানার আর থার্মাল লেবেল প্রিন্টার থাকলে কাজ অনেক দ্রুত হয় (ছাড়াও চলে)।
- প্রথম সপ্তাহ খাতার পাশাপাশি চালান, প্রতি রাতে “টাকা জমা” মিলিয়ে দেখুন।
১০. প্রশ্নোত্তর
- ইন্টারনেট না থাকলে কী হবে?
- রাইডারের অ্যাপ নেট ছাড়াও চলে, নেট এলে সব কাজ একবারই যায়। হাব আর মার্চেন্টের পাতায় নেট লাগে।
- স্ক্যানার না থাকলে?
- ফোনের ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করা যায়, অথবা কোডের ৬টা অক্ষর টাইপ করুন।
- কোন প্রিন্টার লাগবে?
- যেকোনো সাধারণ প্রিন্টারে A4 পাতায় ৮টা লেবেল, অথবা ১০০×১৫০ মিমি থার্মাল লেবেল প্রিন্টার।
- SMS কীভাবে যায়?
- আপনার কুরিয়ারের নিজের SMS গেটওয়ে অ্যাকাউন্ট দিয়ে (যেমন বাংলাদেশের যেকোনো বাল্ক SMS সার্ভিস)। সেটআপে আমরা যুক্ত করে দিই।
- ভুল করে কিছু মুছে ফেললে?
- কিছুই মোছা যায় না। ভুল হলে মালিক সংশোধন দেন, আগের আর পরের দুটোই খাতায় থাকে। প্রতি রাতে ব্যাকআপ হয়।
- একজন মার্চেন্ট কি অন্য মার্চেন্টের পার্সেল দেখতে পারে?
- না। প্রত্যেকে শুধু নিজের পার্সেল আর টাকা দেখেন। রাইডার শুধু নিজের ব্যাগ।
- বাইরের জেলায় পাঠাব কীভাবে?
- “পার্টনার” পাতায় যে কুরিয়ার বা বাস পার্সেল নেয় তাকে দিন, তার চালান নম্বর লিখুন। পার্টনার টাকা দিলে “টাকা পেলাম”।
- ডেমোতে চাপাচাপি করলে কোনো ক্ষতি?
- না। ডেমোর সব তথ্য বানানো, প্রতি রাতে আবার শুরু থেকে হয়।